স্বাস্থ্য ডেস্ক

নিজেকে বাঁচাতে হলে এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংসের দায়িত্বও নিতে হবে

বর্ষা এলেই বাংলাদেশে ডেঙ্গুর আতঙ্ক নতুন করে ফিরে আসে। কিন্তু এবার পরিস্থিতিকে শুধু ‘বর্ষাকালীন ডেঙ্গু’ বলে দেখার সুযোগ কমে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন, দীর্ঘস্থায়ী আর্দ্রতা এবং দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে এডিস মশার জন্য উপযোগী পরিবেশ এখন বছরের বড় একটি সময়জুড়েই তৈরি হচ্ছে।

ফলে ডেঙ্গু আর কেবল বর্ষার কয়েক মাসের রোগ নয়; এটি ক্রমেই সারা বছরের জনস্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে। শীতকালে প্রকোপ কিছুটা কমলেও ঝুঁকি পুরোপুরি চলে যায় না।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি এখনো অনেকাংশে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত ও চিকিৎসাকেন্দ্রিক। অথচ ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর লড়াই হাসপাতালের বিছানায় নয়, হতে হবে রোগীর ঘরে যাওয়ার আগেই, মশার প্রজননস্থলে।

ডেঙ্গুর চরিত্র বদলাচ্ছে, আমাদের প্রস্তুতিও কি বদলাচ্ছে?

ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি প্রধান সেরোটাইপ—ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪। একবার একটি সেরোটাইপে আক্রান্ত হলে সাধারণত ওই সেরোটাইপের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু অন্য সেরোটাইপে আবার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

এ কারণেই একজন মানুষ জীবনে একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন। বরং দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হলে গুরুতর ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ‘আগে একবার হয়েছিল, এবার আর কিছু হবে না’ এমন ধারণা বিপজ্জনক।

আরেকটি বিষয় হলো, ডেঙ্গুর উপসর্গ সব রোগীর ক্ষেত্রে একই রকম নাও হতে পারে। প্রচলিত ধারণায় তীব্র জ্বর, শরীরব্যথা বা র‍্যাশকে ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু অনেক রোগীর ক্ষেত্রে উপসর্গ তুলনামূলক অস্পষ্ট হতে পারে।

জ্বর ওঠানামা করা, কাশি, বমি বা বমি ভাব, পেটে ব্যথা, চোখে ব্যথা, দুর্বলতা, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া কিংবা শরীরে পানি জমার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর অবস্থায় রক্তপাত, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়া বা শকের মতো জটিলতাও তৈরি হতে পারে।

এখানেই সচেতনতার গুরুত্ব।

জ্বর কমে গেছে মানেই বিপদ কেটে গেছে—ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে এই ধারণা বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। রোগের জটিল পর্যায় অনেক সময় জ্বর কমার সময়েই শুরু হতে পারে।

‘এডিস শুধু দিনে কামড়ায়’—এই ধারণাও ঝুঁকিপূর্ণ

দীর্ঘদিন ধরে আমরা শুনে এসেছি, এডিস মশা মূলত ভোর ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। বাস্তবে এডিস দিনের বিভিন্ন সময় সক্রিয় থাকতে পারে। রাতের অন্ধকারে এর কার্যক্রম তুলনামূলক কম হলেও আলো থাকলে রাতেও কামড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

অর্থাৎ শুধু সকাল-বিকেলে সতর্ক হলেই দায়িত্ব শেষ নয়।

দিনে ঘুমালেও মশারি ব্যবহার, শরীর যথাসম্ভব ঢেকে রাখা, প্রয়োজন অনুযায়ী মশা প্রতিরোধক ব্যবহার এবং ঘরের দরজা-জানালায় সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্রটি আসলে খুব সাধারণ

ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূলনীতি জটিল নয়।

এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে এবং মশার কামড় থেকে মানুষকে রক্ষা করতে হবে।

এডিস সাধারণত পরিষ্কার, স্থির পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি অনেক সময় আমাদের চোখের সামনেই পড়ে থাকে। বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, ফুলের টবে, পরিত্যক্ত টায়ারে, ড্রামে, নারকেলের খোসায় কিংবা নির্মাণাধীন ভবনের জমে থাকা পানিতে।

একটি ছোট পাত্রে জমে থাকা পানিও মশার বংশবিস্তারের জায়গা হতে পারে।

তাই সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাড়ি ও আশপাশে ‘উৎস খোঁজার অভিযান’ চালানো যেতে পারে। শুধু পানি ফেলে দিলেই হবে না; পাত্রটি ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে, যাতে দেয়ালে লেগে থাকা ডিমও নষ্ট হয়।

ছাদবাগান, পানির ট্যাংক, ফুলের টব, এসির পানি জমার স্থান, পরিত্যক্ত বোতল, ক্যান, টায়ার কোনোটিই বাদ দেওয়া যাবে না।

শুধু সিটি করপোরেশনকে দায়ী করলে সমাধান হবে না

ডেঙ্গু বাড়লেই আমাদের আলোচনার বড় অংশ চলে যায় সিটি করপোরেশন, পৌরসভা কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের ব্যর্থতার দিকে। প্রশাসনের দায় অবশ্যই আছে। মশার ঘনত্ব পর্যবেক্ষণ, লার্ভা শনাক্তকরণ, প্রজননস্থল ধ্বংস, কার্যকর লার্ভিসাইড ও কীটনাশক ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত জনসচেতনতা কার্যক্রম নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্বের অংশ।

কিন্তু এখানেই একটি কঠিন বাস্তবতা স্বীকার করতে হবে।

এডিস মশার বড় একটি অংশ জন্ম নেয় মানুষের নিজের বসতবাড়ি ও ব্যক্তিগত স্থাপনায়।

ফলে কেবল রাস্তায় ও নর্দমায় ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু নির্মূল করা সম্ভব নয়।

প্রশাসন যদি হাজার জায়গায় অভিযান চালায়, কিন্তু প্রতিটি বাড়ির ছাদে, বারান্দায় কিংবা নির্মাণাধীন ভবনে জমে থাকা পানি থেকে এডিসের নতুন প্রজন্ম তৈরি হয়, তাহলে মশা দমন কার্যক্রম কখনোই স্থায়ী ফল দেবে না।

অন্যদিকে নাগরিকদের দায়িত্বও প্রশাসনের ওপর পুরোপুরি চাপিয়ে দেওয়া যায় না। বড় নির্মাণ প্রকল্প, পরিত্যক্ত জমি, খোলা ড্রাম, পানি জমে থাকা অবকাঠামো কিংবা অপরিচ্ছন্ন সরকারি স্থাপনা এসব নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক নজরদারি ও জবাবদিহি জরুরি।

অর্থাৎ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন প্রশাসনিক অভিযান এবং নাগরিক দায়িত্ব দুটোর সমন্বয়।

হাসপাতাল যেন শেষ আশ্রয় না হয়

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে অধিকাংশ রোগী উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্তু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া কিংবা নিজের মতো করে চিকিৎসা চালানো ঠিক নয়।

জ্বরের ক্ষেত্রে সাধারণত প্যারাসিটামল ব্যবহার করা হয়। অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাকসহ কিছু ব্যথানাশক ওষুধ রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।

অ্যান্টিবায়োটিকও ডেঙ্গুর চিকিৎসা নয়; চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া তা ব্যবহার করা উচিত নয়।

পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে অতিরিক্ত তরল গ্রহণ বা নিজের মতো করে শিরায় স্যালাইন দেওয়াও নিরাপদ নয়। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকই প্রয়োজনীয় তরল ব্যবস্থাপনা নির্ধারণ করবেন।

কোন লক্ষণে দ্রুত হাসপাতালে?

ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো বিপদের সংকেত দেখা দেওয়ার পরও অপেক্ষা করা।

রক্তপাত, তীব্র পেটে ব্যথা, বারবার বমি, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অস্বাভাবিক রক্তচাপ বা শরীরে পানি জমার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ, কিডনি বা লিভারের রোগসহ অন্যান্য জটিলতা থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।

রক্তের প্লাটিলেট কমে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও শুধু প্লাটিলেটের সংখ্যা দেখেই রোগীর অবস্থা নির্ধারণ করা যায় না। রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা, রক্তপাত, হেমাটোক্রিট, তরল ভারসাম্য ও অন্যান্য ক্লিনিক্যাল লক্ষণ চিকিৎসকেরা বিবেচনা করেন।

এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘প্লাটিলেট কত হলে কী করবেন’ ধরনের অসম্পূর্ণ পরামর্শের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

আক্রান্ত ব্যক্তিকেও সুরক্ষিত রাখতে হবে

ডেঙ্গু রোগীকে মশার কামড় থেকে রক্ষা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ানোর পর এডিস মশা ভাইরাস বহন করে অন্য মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে। ফলে ডেঙ্গু রোগীকে মশারির মধ্যে রাখা শুধু রোগীর সুরক্ষা নয়, পরিবারের অন্য সদস্যদেরও সুরক্ষা।

এখানে ডেঙ্গুর সংক্রমণচক্রটি বোঝা জরুরি

আক্রান্ত মানুষ → এডিস মশা → অন্য মানুষ।

এই চক্রের যেকোনো একটি জায়গা ভেঙে দিতে পারলেই সংক্রমণ কমানো সম্ভব।

শুধু মশা মারলেই হবে না, মশার জন্ম বন্ধ করতে হবে

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমাদের একটি পুরোনো দুর্বলতা হলো মশা দেখা দিলে ব্যবস্থা নেওয়া।

কিন্তু কার্যকর মশা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য হওয়া উচিত মশা জন্মানোর আগেই প্রজননস্থল ধ্বংস করা।

ফগিং করে উড়ন্ত পূর্ণবয়স্ক মশা কমানো যেতে পারে, কিন্তু এটি একা সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। যদি একই এলাকায় প্রতিদিন নতুন লার্ভা তৈরি হয়, তাহলে কিছুদিন পর আবার পূর্ণবয়স্ক মশার সংখ্যা বেড়ে যাবে।

তাই দরকার লার্ভা শনাক্তকরণ, প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত নজরদারি এবং তথ্যভিত্তিক মশা নিয়ন্ত্রণ।

কোন এলাকায় মশার ঘনত্ব বেশি, কোথায় লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, কোন ধরনের পাত্রে বেশি প্রজনন হচ্ছে, এসব তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা গেলে অভিযানও হবে আরও কার্যকর।

স্কুল, অফিস, নির্মাণাধীন ভবন—কেউ বাদ নয়

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণকে শুধু আবাসিক এলাকার সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, হাসপাতাল, রেস্টুরেন্ট, বাজার, নার্সারি, কারখানা এবং নির্মাণাধীন ভবন সহ সব জায়গায় নিয়মিত পানি জমার স্থান পরীক্ষা করতে হবে।

বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে ড্রাম, বালতি, পিলার, গর্ত কিংবা অন্যান্য স্থানে পানি জমে থাকতে পারে। নির্মাণকাজের অনুমোদন ও তদারকির সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ব্যবস্থাপনাকেও যুক্ত করা যেতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তন নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে

ডেঙ্গু মোকাবিলায় আরেকটি বড় বিষয় হলো জলবায়ু পরিবর্তন।

তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বৃষ্টির ধরন পরিবর্তন এবং দীর্ঘ সময় আর্দ্র পরিবেশ এডিস মশার বিস্তারের সুযোগ বাড়াতে পারে। নগরায়ণ যদি হয় অপরিকল্পিত, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা দুর্বল থাকে এবং বাড়ির আশপাশে ছোট ছোট জলাধার তৈরি হতে থাকে, তাহলে মশার জন্য পরিবেশ আরও অনুকূল হয়।

তাই ডেঙ্গু এখন শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমস্যা নয়।

এটি নগর ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি নিষ্কাশন, পরিবেশনীতি এবং জলবায়ু অভিযোজনের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।

শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব কার?

এই প্রশ্নের উত্তর একক নয়।

সরকারকে কার্যকর মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে নিয়মিত নজরদারি করতে হবে। হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের প্রস্তুত রাখতে হবে। গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। গণমাধ্যমকে আতঙ্ক নয়, সঠিক তথ্য দিতে হবে।

আর নাগরিককে নিজের বাড়ির সামনে জমে থাকা পানির দায় নিতে হবে।

কারণ, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর অভিযানটি অনেক সময় বড় কোনো মাঠে নয়, নিজের বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা আঙিনায় শুরু হয়।

একটি ফুলের টব খালি করা, একটি পুরোনো টায়ার সরিয়ে ফেলা, একটি ড্রাম ঢেকে রাখা কিংবা কয়েক মিনিট সময় নিয়ে বাড়ির চারপাশ পরীক্ষা করা। এই ছোট কাজগুলোই বড় একটি সংক্রমণচক্র ভেঙে দিতে পারে।

ডেঙ্গুর কোনো জাদুকরী সমাধান নেই। প্রতিরোধই সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র। আর সেই প্রতিরোধ তখনই কার্যকর হবে, যখন প্রশাসনের অভিযান, চিকিৎসাব্যবস্থার প্রস্তুতি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং নাগরিক সচেতনতা একই সুতোয় বাঁধা হবে।

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই তাই শুধু মশা মারার লড়াই নয়। এটি আমাদের নগরব্যবস্থা, জনস্বাস্থ্যনীতি এবং নাগরিক দায়িত্ববোধেরও পরীক্ষা।

এই পরীক্ষায় জয়ী হতে হলে দায়িত্বটি কাউকে একা দিলে হবে না।

সরকারকে কাজ করতে হবে, নাগরিককে দায়িত্ব নিতে হবে। আর দুপক্ষকে একসঙ্গে এগোতে হবে। তবেই ডেঙ্গুকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

ডাঃ সাহেদুল আলম,

চিকিৎসক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ