মাঠে মাঠে পড়ে আছে শূণ্যতা
শহুরে গ্রামের প্রান্তরে প্রান্তরে
বড় আপার স্নেহের কোলে কোলে
শুয়ে আছে ইতস্তত লাশেরা
চুলে বিনি কেটে কেটে চলেছে তাদের
সংগী হারানো একাকী ড্রাগন।
যার মরেছে সব, মারতে তার আর কোন
নাই দ্বিধা। হৃদয়ে জ্বলে জাহান্নামের আগুন।
পেটে খিদা নিয়ে মরে গেলো যে মায়ের বেটা।
তার আহাজারিকে বলো, ও মিমের সন্তানেরা।
বেহেশতে এখন তাদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে কোটা।
খাবার অফুরান, মন্থনরত সুন্দরী যুবতীরা।
মাঠে মাঠে নানান ফসল ফলেছে আজ,
হেমন্তের কালো ধোয়ায় নষ্ট ধানের বীজ।
কাস্তে হাতে হাতে কৃষকের দল
নিজের লিংগ নিজেই চাটছে অনর্গল।
এমতি মাস্টারবেশনের ভেতর,
শিশুদের খাচ্ছে লাশ চোরাগোপ্তা ঈদুর।
কোনদিকে যাব আমি?
চোখ নাই, মুখ নাই, মেরুদন্ড নাই
কোন পথে গিয়ে থামি?
চক্ষুহীন, আকৃতিহীন কেউ
আমাকে তবু দেখিয়ে নিচ্ছে পথ
নিজের ধড়ে নাই মাথা
তবু সেজে আছে আমার মস্তক।