সব মৃত্যুই বেদনার! যার যায় সেই বোঝে, যার গেছে সে অনুভব করতে পারে।
সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া মানেই দেশের জন্য জীবন উৎসর্গের শপথ। জেনারেল থেকে সাধারণ সৈনিক-সবার শপথ এক, দায়িত্ব এক। পর্যবেক্ষণে দেখা নন-কমিশন্ড সৈনিক ও কর্মকর্তাদের প্রায় সবাইই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে একেবারে হালাল জীবন যাপন করেন। আশ্চর্য হলেও সত্য, জাগতিক লোভ বা ক্ষমতার মোহ তাদের খুব একটা স্পর্শ করতে পারে না।

এমনই ছয়জন শান্তিরক্ষী সৈনিক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে বর্বর সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ জন শান্তিরক্ষী গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে আহতদের মধ্যে ছয়জন শাহাদাত বরণ করেন।



একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ আরও নয়জন আহত শান্তিরক্ষী বর্তমানে নাইরোবিতে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তারা শঙ্কামুক্ত।
শাহাদাত বরণকারী ছয়জন শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।
রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে হেলিকপ্টারে করে তাদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে। যথাযথ সামরিক মর্যাদায় তাদের দাফন করা হবে।
আল্লাহ তায়ালা তাদের সবাইকে শহীদি মর্যাদা দান করুন, তাদের সকল মানবিক ত্রুটি ক্ষমা করুন। আমিন।